স্মৃতি, আজোও দুপুরে ভালো থাকুক সেই জন

ভাঙা ইটের টুকরোর পোড়া দাগের ঘর,
এক্কাদোক্কা খেলা বাড়ির উঠানে ।


কাল রাতে রঙিন কাগজ কেটে
তোর পায়ের নূপুর বানিয়েছি ,
তোর এক পায়ে লাফানো
সুযোগ বুঝে ছিঁড়ে ফেলি
এই নে ! 

দু হাত শূন্য কাগজের টুকরোরা রঙিন।
মুছে যায় এক্কাদোক্কার ঘর ,
উঠোন জুড়ে ব্যাঙের ছাতার উচিয়ে ওঠা মাথা
হাতের শূন্যে শূন্য ঘোরে
মুঠোয় বন্ধ ছেলেবেলা। 

জানিস তো -
এখনো দুপুর কাটে
স্তরের উপর স্তর; সময়ের
ঠিক ঠাক মাপের নয়
তবুও খুঁজি ঘর গুলি।
নূপুর পরাই উঠোনের শেষে
প্রতিদিন রাগ করে এক পাশ মুখ রেখে দাড়াতিস যেখানে। 

" কাল একটা ঘর বানিয়ে দিবি ? তবেই কথা
নইলে আড়ি; ওই শেষ বকটি আমার। " 

এক ঝাঁক পানকৌড়ি পঁচা শামুক ঠোঁটে
অন্ধকার নামিয়ে শেষে আলটুকু নিয়ে যায় ।


" নইলে যে কাল ভোর হবে অন্ধকার ।
হারিয়ে যাবো আমারাও ! "
Post a Comment

মহাজাগতিক ইতিহাসে আমাদের এপিটাফের গল্প

কোন সন্ধ্যে সন্ধ্যে রাতে রাস্তারা বুঝি অদ্ভুত প্রনয়ে খুন হয়! খুন হয় কতশত খেয়ালের অগোচরে আটকে পড়া দীর্ঘ নি:শ্বাসেরা! ইশ! আমাদের খেয়ালগুলো য...