আসবি কি তুই

খেয়া নিয়ে রইবো বসে বৈতরণীর ঘাটে
রাখবি কি তুই আমার তরী’য় পা?
নইলে আমি নির্বাসনে যাবো অচিন দেশে
তোর স্মৃতি সব ফেরি করে শিমুলতলীর হাটে
দুঃখ যত ঋণ করেছি বুকে
থাকবি কি তুই সর্বনাশী দুঃখগুলো ঘেষে?
জোৎস্না রাতে বসবো একা নীলফড়িংয়ের মাঠে-
আসবি সখী ভাঙতে আমার মান?
ফেরার বেলায় স্বপ্ন যত বলবি আমায় হেসে?

বিষন্ন রোদ্দুরমাখা নীলখামে মৃত কাঠগোলাপ

দেরাজের কোনে পরে থাকা একা নীল খাম –
তার বুকের ভেতর জমে থাকা রোদ্দুর, মেঘ
তার শরীর জুড়ে জমে থাকা ধূলো ; অবসাদ।

কোনের আধাঁর জুড়ে পরে থাকা মৃত কাঠগোলাপের ঝাড় –
তার কন্টকময় শরীর জুড়ে আবছায়া সুখস্মৃতি, বেদনা
আর বুকের ভেতর বিস্তীর্ণ অতীত ; আবছা নীল আকাশ।

সিঁড়ির মুখে বসে নিস্তব্ধতায় ডুবে থাকা বিষন্নতা –
তার বুকের ভেতর অর্ধেক জীবনের হাহাকার।
ভালোবাসার ঘোলাটে আয়নায়, বিলীয়মান মুখ দেখি
এবং চারপাশ ভরাট করে থাকা শুন্যতায় মিশে থাকি আমি,
এইসব টের পাই, চোরাস্রোতের মতোন –
ভালোবাসো বলেই আমি তোমার অন্তর্যামী।

"আমি যে তোমার অন্তর্যামী সে কিন্ত এমনিতেই নই, তুমি আমায় ভালোবাসো বলেই আমি তোমার অন্তর্যামী – বিবেকানন্দ”

MOVIE REVIEW - THE LUCKY ONE

The Lucky One


Directed by Scott Hicks
Produced by Denise Di Novi
Kevin McCormick
Screenplay by Will Fetters
Based on The Lucky One
by Nicholas Sparks
Starring Zac Efron
Taylor Schilling
Jay R. Ferguson
Blythe Danner
Music by Mark Isham
Cinematography Alar Kivilo
Edited by Scott Gray
Production
company
Village Roadshow Pictures
Di Novi Pictures
Distributed by Warner Bros. Pictures
Roadshow Entertainment (Australia & New Zealand)
Release date-April 20, 2012
Running time-100 minutes
Country-United States
Language-English
Budget-$25 million
Box office $99.4 million


A Marine sees a photograph almost buried in rubble in the middle of a combat scene. He steps over to pick it up, and with that small movement, he saves his life. A nearby explosion would have wiped him out. The photo stays with him through his third tour of duty, and when he comes home, he determines to find the girl in the photograph. He doesn't know her name or where she lives, but wouldn't you know, through happy chance he happens to be passing through Louisiana — and there she is!

I'm not going to say anything at all about the odds of that happening. The odds are overwhelmingly against anything in any movie happening, so I should just shut up and pay attention. This is yet another love story adapted from a Nicholas Sparks novel, and it has been cast with appealing romantic leads, a snaky villain with a drinking problem, a grandmother with infallible instincts and a lot of adorable dogs. It also has leaves bursting into bright autumn colors, and a lake just right for a couple to steal away for a quiet chat on a rowboat.



Nicholas Sparks has a good line in stories like this. They usually involve the triumph of love over adversity, are usually set in beautiful natural settings, usually involve such coincidences as finding a message in a bottle, and usually make me stir restlessly, because such escapism is shameless. Still, credit must be given to a film that delivers the goods, and if you've ever liked a Nicholas Sparks movie, you're likely to enjoy this one. I've seen him in interviews where he's better-looking than some of his leading men and comes across as sincere. I think he really does believe in his stories, and I think readers sense that.

The Marine is Logan (Zac Efron), an engaging actor who is natural onscreen, without the insufferable self-confidence of a lot of leading men. If he wins the love of a woman, he has the grace to seem a little surprised. The girl in Louisiana is Beth (Taylor Schilling), who looks plausible as the owner and operator of a first-rate dog kennel in a picturesque rural setting, and no character who loves dogs is going to have a problem with me. Beth is pretty much perfect, but she made a big mistake when she married Keith Clayton (Jay R. Ferguson), a local deputy sheriff who's an insufferable bully with an inferiority conflict. Keith did however serve as the father of Beth's cute, spunky son, Ben (Riley Thomas Stewart). The moment he sees Logan hanging around his ex-wife of course he begins to threaten her custody of their child.

The journey that brings Logan to the dog kennel in the woods is one happy chance after another, but is Beth going to wonder if he's a stalker? Not every guy tracks down one person out of the total population without being a little obsessive. Also, who was the Marine who was carrying her photo, and why?

Luckily, Logan doesn't have to answer such questions, because Beth assumes he has turned up in response to a help-wanted poster. He never gets around to explaining her mistake. That sort of mistaken identity is commonplace in the movies and rare in life, and for that matter, wasn't Lucille Ball incessantly being mistaken for ever she needed to be — or not to be?



Ellie the nana is played by Blythe Danner as a reminder of what a cheery, common-sense presence she can be. Just sitting there in the same room, she intuits in a few seconds that this strange man, who has drifted in from nowhere, is husband material. Too bad she wasn't around to shoo Keith off the property.

"The Lucky One" is at its heart a romance novel, elevated however by Nicholas Sparks' persuasive storytelling. Readers don't read his books because they're true, but because they ought to be true. You can easily imagine how many ways this story would probably go wrong in real life, but who wants to see a movie where a Marine leans over to pick up a photo and is blown up? And a mom trying to raise her son and feed lots of hungry dogs while her abusive ex-husband gets drunk and hangs around? That kind of stuff is too close to life.

What film scene(s) influenced you most?

I saw this movie - Bruce Almighty (2003)  and the below dialogue really changed my whole belief about God. 

A single mom who's working two jobs, and still finds time to take her kid to soccer practice, that's a miracle. 

A teenager who says no to drugs and yes to an education, that's a miracle. 

People want Me to do everything for them, but what they don't realize is, they have the power. 

You want to see a miracle, son? Be the miracle.

নীলপরি তুই হারিয়ে যাবি আগে কি জানতাম

নদীর ধারে সন্ধ্যা বেলা-ধূ ধূ বালির চর
 চোখের কোণে বাষ্প জমে হঠাৎ বুক মোচড়;

 প্রিয় নারী হারিয়ে গেছে কোন সে আধাঁর মাঝে
সেই বেদনা নূপূর হয়ে কার পায়ে যে বাজে ;

তাকেই খুঁজি সমস্ত দিন-সকাল রাত দুপুর
 কোথায় যে নীল শঙ্খ বাজে,কোথায় অচিনপুর;

 অন্ধকারে গন্ধরাজের উপর করা শাখা
 সেই ছবিটা ঠিক এখনও যত্ন করে রাখা
শ্যাওলা পড়া প্রাচীন ইটের সেই দেয়ালের কাছে
 নির্বাচিত দুঃখগুলো ঠিক তেমনই আছে।

 সবই আছে আগের মতন,নেই তুমি কেবল
 সেই ব্যথাতে সকাল দুপুর বুকের মধ্যে জল;

 চির চেনা মেঘলা  হাসি,মধুর অভিমানে-
ঠোঁট ফোলানো;ভালোবাসা কোথায় যে কে জানে
চোখের মধ্যে বিঁধে আছে খোঁপার জবাফুল
 কপাল বেয়ে ছড়িয়ে থাকা অবাধ্য তোর চুল-
সরিয়ে দেবার নাম করে হায় ছুঁয়ে দেবার ছল
 এখন সেসব প্রাচীন অতীত-অতন্দ্র অঞ্চল।

তর্জনিতে মুছে দিলাম তোর  গালের ও তিল
 মরে গেছে স্বপ্নে দেখাঃ “হরিণ,চিতা,চিল!”
 কিংবা তোর ওই নাকের পাটায় মুক্তো রেণু ঘাম
 নীলপরী,তুই হারিয়ে যাবি আমি কি জানতাম?

Some things are better left unsaid


আমার মাঝে মাঝেই আঁতেল হওয়ার শখ জাগে। তখন আমি বিদেশী সিনেমা দেখি, ইংরিজিতে উপনিষদ পড়ি, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে ভুল ভাল জায়গায় মাথা নাড়াই – এই সব আর কি! তা আজ রবিবার। ইংলিশ মাফিন আর কালো কফি দিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে মনটা ভারী সাহেব সাহেব হয়ে গেল। ভাবলাম আজ সারাদিন ধরে নেটফ্লিক্সে মুভি দেখি। যা তা মুভি হলে চলবে না। আঁতেল হতে হবে। কাল রাতের উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শ্রবণের কন্টিনিউয়েশন আর কি! দেখে শুনে বেছে নিলাম ১৯৬৭ সালের একটি ইটালিয়ান মুভি – পাওলো পাসোলিনির অয়দিপাউস। অর্থাৎ শুধু আঁতেলই নয়, অ্যান্টিকও বটে!  প্রথমেই জানিয়ে রাখা ভালো সিনেমাটি আমার পছন্দ হয় নি। আমি ভেবেছিলাম সফোক্লিসের নাটকটির একটি আধুনিক চিত্রায়ন দেখবো। গল্পের শুরুও তেমনই ছিল – ষাটের দশকের ইতালী – একটি শিশু, শিশুর মা, তার কামুক স্বামী – যে শিশুর প্রতি তার নারীর মনোযোগ দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে শিশুটিকে হত্যার পরিকল্পনা করে। আর ঠিক তখনই পটভূমি বদলে যায়। গল্প চলে যায় আড়াই হাজার বছর আগের গ্রীসে – থিবস নগরীতে। তারপর ঠিক তেমনটিই হয়, যেমনটি গল্পে আছে। ভয়, দয়া, বাৎসল্য, ভাগ্যানুসন্ধান, হত্যা, কাম, বিপন্নতা, গ্লানি ও সবশেষে অন্ধত্ব। অন্ধত্বের পর গল্প আবার ফিরে আসে ইতালীতে। একটি অন্ধ মানুষ রাস্তায় রাস্তায় বাঁশী বাজিয়ে ফেরে। মাঝে মাঝেই অস্থির হয়ে চেঁচিয়ে ওঠে। তাকে ফ্রেমে ধরেই শেষ হয় এক ঘন্টা পঁয়তাল্লিশ মিনিটের সিনেমাটি। খুবই নাটকীয় সিনেমা। অভিনয় দেখতে দেখতে মাঝে মাঝে মনে হচ্ছিল স্টেজ অ্যাক্টিং দেখছি। সেটা ভালো না লাগার একটা কারন। সংলাপ অত্যন্ত কম। ছবির প্রথম সংলাপটি আসে ছবি শুরুর ছ’মিনিট সতেরো সেকেণ্ড পরে। সেটাও কোন চরিত্রের মুখের সাধারণ সংলাপ নয়। শিশুটিকে দেখে পুরুষটির ঈর্ষা – যেন যাত্রাদলের বিবেক! নাটকে দেখতে অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সিনেমাতে অন্যরকম হতেই পারতো। আর শেষ কথা হল – ছবির প্রথম ও শেষ দশ মিনিটে কেন ষাট দশকের ইটালীর অবতারনা হল তা আমি বুঝলাম না। পরিচালক কি এটাই বোঝাতে চাইলেন যে অয়দিপাউসের গল্প আড়াই হাজার বছর আগেই শেষ হয়ে যায় নি, এখনও চলছে! ষাট দশকের ইতালী না দেখালেও সেটা বুঝতে অসুবিধে হওয়ার কথা নয়।  Some things are better left unsaid
 Some strings are better left undone
Some hearts
arebetter left unbroken Some
 lives are better left untouched Some lies are better off believed Some words are better left unspoken  কি আসে যায় অয়দিপাউস আর জোকাস্টার, যদি তারা না জানে তারা কে! কি অসুবিধা তাদের স্বাভাবিক নারী-পুরুষের মত জীবন কাটাতে! কেউ তো বাধা দেয় নি তাদের! কেউ তো অনাহূত এসে ধাক্কা দিয়ে তাদের ঘুম ভাঙায় নি। ভবিষ্যত-দ্রষ্টা নীরব থাকতে চেয়েছে। মেষপালক স্বেচ্ছা নির্বাসনে গেছে। রাজ্য ছিল, অনুরক্ত নারী ছিল, শিশু ছিল। তবু তার বিপন্নতা ঘুচলো না। আর কাউকে তো লাগে না – মাথার মধ্যে কিলবিল করে যে বোধটা – সে ভেংচি কাটে। বিরক্ত করে, অনুনয় করে, পায়ে মাথা খুঁড়ে মরে – বলো, বলো, আমাকে বলো! সে জেনে এসেছে ছোট থেকে – ফলটিতে কামড় বসালেই টুপ করে ঝরে যেতে হয় স্বর্গ থেকে। তবু তার মারাত্মক লোভ। জানতে তাকে হবেই। তারপর সত্যের ঝাঁঝ সামলাতে না পেরে নিজেকে সরিয়ে নিই জীবন থেকে কিংবা অন্ধ হই – সেও ভালো। যেন জীবনের জন্য সত্য নয়, সত্যের জন্য জীবন! কথাটা যতটা নায়কোচিত শোনায় আদতে তা’ও নয়। কোন মহৎ সত্যনিষ্ঠা থেকে এই প্রশ্নের উৎপত্তি নয়। এ নিজের সাথে নিজের খেলা। পোকা যেমন আগুনের দিকে ছোটে। ডানা পোড়ে আর সে তাকে জীবনের উষ্ণতা ভেবে চোখ ঠারে। তারপর তীব্র ঝলক, অন্ধত্ব। সবশেষে ছেঁড়া জামা পরে বাঁশী বাজানো রাস্তায় রাস্তায় এবং অস্থির আক্রোশে উন্মাদের মত চিৎকার। আমি হাফ আঁতেল এসব নিয়ে ব্লগ লিখি আর ভাবি বিপন্নতা কোন ওষুধে সারে!

সেখানে অন্ধকার ধোঁয়ায় ভেজা

মাঝে মাঝে সখ্যতা বড় বাজে জিনিস । সখ্যতার বৃত্তে বন্দি হয়ে অস্তিত্ব লোপের পথে চলে যায় । কখনও নিশ্চল অন্ধকারের অভেদ্য বৃত্তে বন্দি হয়ে কিছু অবশ ইন্দ্রিয়কে সঙ্গী করে , ফুসফুস এ কৃত্রিম দীর্ঘনিঃশ্বাস বয়ে যায় । দুটো আঙ্গুলের ফাঁক থেকে ভয়ানক ছদ্মবেশী মৃত্যু ধোঁয়া হয়ে বেরিয়ে আসে । কখনো কুণ্ডলী পাকিয়ে থমথম শব্দে আমার দিকে তাকিয়ে হাসে । সে হাসি বড়ই অসহনীয় । তবু আরও সখ্যতা জন্মায় , এগিয়ে যায় সম্পর্ক । 

কে ? আমার সঙ্গী কে ? মুঠোভরা ধোঁয়ায় ভেজা মৃত্যু আমাকে বারবার বলে জীবন বড় বাজে জিনিস , বড় কষ্টের জিনিস । মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে বলি , তাই তো ! কিন্তু কি জানি একটা বাধা দেয় । বড় দৃঢ় সে বাধা।  ভেদ করার দুঃসাহস হয়ে ওঠে না । আমার অদৃশ্য ক্যানভাসে এইভাবে আমার দৃশ্যপট অংকন করা যায় । ঘড়িতে কয়টা বাজে ? রাত ১ টা ? ২ টা ? কি জানি ! বাজুক ! চারিদিকে সুনসান নীরবতা । নিয়মিত বিরতিতে তক্ষক ডেকে উঠছে । ওদের এইতো কাজ ! বড় কর্মমুখর ওরা । 

একবারও থামছে না । জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে দেখা যায় , এত্ত বড় একটা চাঁদ ! যেন চুপচাপ নির্জনে তাকিয়ে আছে আমার দিকে । ভাবলেশহীন চোখমুখ । চেয়ে থাকলে বুক কাপে , চোখ ফিরিয়ে নিতে হয় । তা না হলে মনে হয় আমার ভেতর থেকে কিছু একটা শুষে নিচ্ছে জিনিসটা ! চাঁদটা একা হলেও হত ! ব্যাটা তার পাশে তার সঙ্গীদের নিয়ে আসে । তারা আবার স্থির হয়ে থাকে না । মিটিমিটি করে জ্বলে । মুহূর্তেই হৃদকম্পন বাড়িয়ে দেয় । তখন পাগলের মতো চোখ বন্ধ করে ফেলি । তবুও তারা অক্ষিকোটরের অভ্যন্তরের অন্ধকারে জায়গা করে নেয় । মিটিমিটি করে অস্থির জ্বালাতন করে । তখন চোখের কষ্ট মেটানো জরুরি হয়ে পড়ে । ফুসফুসকে কষ্ট দেওয়ার প্রক্রিয়া পর্যন্ত শুরু হয়ে যায় । তবে তখন তা কতই না আরামের । আর মাঝে মাঝে বাইরের ঘুটঘুটে অন্ধকার আমার দিকে তাকিয়ে মায়াময় হাসি হাসে । মোহে ফেলতে চেষ্টা করে আমাকে । 

আসলে আমার একান্ত কক্ষের অন্ধকার হতে বাইরের অন্ধকার আলাদা । আমার কক্ষের অন্ধকারগুলো আমার মতো হয়ে গেছে । তাদের সাথে আমার দীর্ঘদিনের বাস । তারা আমাকে মোহে ফেলার চেষ্টা করে না । বাইরের অন্ধকার এই কিছুদিন বড্ড বেশি জ্বালাতন করছে । অসময়ে ডাক দেয় । আমি কেবল আমার বন্ধু অন্ধকারগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকি , উপেক্ষা করতে চেষ্টা করি সকল মোহ । সেই বদমাশ অন্ধকারগুলো ক্ষান্ত হয় না । মুচকি মুচকি হেসে বারবার ফিরে আসে । সেই হাসিতে আমার ভীষণ ভয় হয় । 

আমার সুন্দর ফুলতোলা চাদরের বিছানাটা অযত্নে অবহেলায় একটুকরো কাগজের ন্যায় পড়ে থাকে ! সৌন্দর্যের কি অপূর্ব অবহেলা । চারপাশে টুকরো টুকরো শক্ত কাগজ পড়ে থাকে , মুঠোবন্দি ভেজা মৃত্যুরা সেগুলো থেকে আত্মপ্রকাশ করেছিল । কিছু কাগজ নিষ্ঠুর হাতে ছিঁড়ে কুচিকুচি করা হয়েছে । আমার পড়নে নীলরঙা রঙচঙে টি-শার্ট । অন্ধকারের আলোয় বেচারা ক্ষুদ্র নীল রঙের আর্তনাদ শোনা যায় । একসময় মিলিয়ে যায় , তখন নিজেকে অন্ধকারে সামিল করে নেয় । এই পরিনতি বড় দুঃখজনক । 

নীল শার্টের পকেট পুরে কিছু স্বস্তি নিয়ে থাকি । অস্বস্তিরা তা কেবল নিমিষেই গ্রাস করে নেয় । তাদের বিরুদ্ধে এক দুইটা হুংকার দেওয়া ছাড়া কিছুই করার থাকে না । গুটিগুটি পায়ে আমার ছায়া আমাকে মাতিয়ে তোলে । আমাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় । বুকের ভেতর জমা থাকা বাক্যগুলি একেকটা পাথর পিণ্ডে পরিণত হয় । ভারী হয়ে আসে বুকটা । ঝেড়ে কাশি একেকবার । কিছু দিশেহারা শব্দ কেবল কাঁপিয়ে দিয়ে যায় আমায় । অস্থির চোখে তাকাই ইতিউতি , একমুঠো কালো আলো আর কিছু বেকার নৈঃশব্দ্য ছাড়া কিছুই খুঁজে পাই না । 

মাথার ভেতরে শিরাগুলো বড্ড বেয়ারা । উত্থাল-পাতাল ঢেউ তোলে একেক সময় । আমি এক ঝাঁপটায় বকে দেই শয়তানগুলোকে তবু আত্মসম্মান ভুলে বারবার ফিরে আসে । একবার এক পথহারা জোনাকি আমার কাছে এসে পড়েছিল । আমার শিরাগুলো হুট করে থেমে গিয়েছিল । সব যেন নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছিল । আমার চোখগুলো নাড়াচাড়া ভুলে গিয়েছিল । কেবল অদ্ভুত ভয়ার্ত কম্পন তুলেছিল জোনাকিটা । এক সময় তার ভয়ের মাঝেই সে হারিয়ে গেল । সব আবার ফিরে এলো । একসময় অন্ধকারের থমথমে হাসি বন্ধ হয় । কুৎসিত খিলখিল হাসি নিয়ে আলোরা আসে । আমার চোখের পাতা ভারী হয়ে আসে । এখন ঘুমানোর সময় । তবে আমার মুঠোভর্তি ধোঁয়ায় ভেজা মৃত্যু আমার সঙ্গ ছাড়ে না । বার বার বলে , “এসো , আমার কাছে এসো ।”

অচেনা চোখের কোনে জল

অনন্ত বিথীকার মতো কোনো স্নিগ্ধ যেনো- 
একা, 
বিষন্ন এলোকেশী হয়ে বিবর্ণ সুখের 
মতো ছুঁয়ে গেছে পৃথিবীর 
কোনো একা রাজকন্যার মতো; 
প্রণয়-সুখের 
মিহিন উল্লাসে;
 এখানে ভালোবাসা লীন 
চোখের তারায় ভরে ওঠে ব্যবলিনের 
শূন্যোদ্যান।

হায়- কতো হাজার বছরের
শূন্যতা এই জীবনের
চৌকাঠে জমেছিলো- যেনো আকাশের
ঘুমভাঙা রোদের শরীরে বড়ো বেশি ক্লান্ত
হয়ে মিশেছিলো পশ্চিমের লাল রোদ।

অমন
চোখের চোখে চোখ রেখে- কতোকাল
কেটে গেছে কোনো এক না-
পড়া কবিতা বুকে নিয়ে; এই চোখ দুটো-
কোনো এক স্বপ্ন আর তার
হৃদয়ে মিশেছিলো বহুকাল তারপর হৃদয় বারান্দার
ধার ঘেঁষে চোখ দুটো কথা কয় যেনো একান্ত
সখির মতোন; শুধায় পরস্পরেরে- কেমন আছো?
কী ভালোবাসো? আছে কী নূতন
কোনো ঠিকানা?


চোখ
দুটো ঘিরে থাকে কালো টিপের চাদরে, টিপের
দেয়ালে ঝোলানো আছে শার্ল বোদলেয়ারের
ছবি ‘এক প্রতিভাস’ সেখানে রাজ্য গড়ে বিচিত্র
আদরে ঠোটের কিনারায় বাক্রুদ্ধা মাধুকরীর
মতো শেক্সপীয়রীয় সনেট।


অতএব- যাপিত
জীবনের অনেকটুকু খরচ হয়ে যাবার কষ্ট
আবারো জেগে ওঠে বুকের আকাশে; কাঁঠালচাঁপার
গন্ধে আমাদের অনুভূতির তীব্রতা মিশে যায়,
মিশে যায়, মিশে যায়.. .. পড়ে থাকে অবসাদ দুয়ারের
ছায়া- আমি তুমি সে ছায়ার বুকে সুর। ঠোঁটের
আরশিতে ও কী! ও কী!

 কেমন বিচিত্র খেলে যায়
দেখো পদার্থবিজ্ঞানের গূঢ় রহস্য-
তুমি প্রাঙমুখী- সত্তা আমার- আমার
প্রেয়সী বৃষ্টির সাহানা সুরের মতোন তোমার
হাসি- ওই
দেখো বাঁচিয়ে তুলেছে কতো কতো মৃত
মহাত্মাদের  তুমি জানো না বুঝি?


এরপর
চৈতালি বিকেলে হাজার গল্প ওই দুটো চোখের
ক্যানভাসে কোটি বৎসরের বায়না নিয়ে ভিড়
করে টিপের সন্ন্যাসে এরপর কণ্ঠে তোমার
কাজরীর বাসর- বৃষ্টিতে বেঁচে ওঠা, চোখের
তারায় মল্হার আসর তুমি- তোমার ওই
দুটি চোখ- চোখেদের মাঝখানে টিপের
বিলাসী অলঙ্কার- রবীন্দ্রসাহিত্যের
মতো ওষ্ঠ থরোথরো আধুনিক বাঙলা কবিতার
মতো অধর আর হাসি- অনন্ত
নক্ষত্রলোকে ঝড় তোলা সেই হাসি হাজার
রাগের বারতাঘেরা হাসি-
আমি ছুঁয়ে যেতে চাই,
আমি ছুঁয়ে যেতে চাই, আমি ছুঁয়ে যেতে চাই।


শুদ্ধ
সুন্দরে লীন হওয়া একমাত্র মানুষ হতে চাই।

24 Iconic Characters From Bengali Literature That’ll Take You On A Nostalgia Trip

Other than our obsession with monkey caps and maachh, what we Bengalis are most often stereotyped with is how we take our literature very, very seriously. And this one is actually pretty spot on.

Literature is our religion. We grow up binge reading whatever we can lay our hands on, and considering the vast array of brilliant literary works that have been written in Bangla, we seriously are spoilt for choice.
From hilarious comic strips, science-fiction, adventure-travel, murder mysteries - Bengali literature traverses all genres. Here is a list of some of the most popular and iconic characters in Bangla literature which will tug at your heartstrings with sheer nostalgia.

1. Gora, Rabindranath Tagore
One of the most complex and highly-acclaimed novels penned by Tagore,Gora is a philosophical study of human emotions. The protagonist is a man of contradictions, with a very nuanced personality. While on the exterior he might exude arrogance and a burning need for self assertion, he is an extremely sympathetic and patriotic person and cannot stand injustice. Gora's impelling attitude coupled with his optimism and orthodox beliefs, will make you oscillate between feelings of appreciation and repugnance for him.


2. Feluda, Satyajit Ray
Bengal's very own Sherlock Holmes, the image of brooding hottie Prodosh Mitter smoking his Charminar cigarettes, while going about unravelling mysteries is one that will induce happiness without fail. Feluda's whip smart demeanour and dynamic personality, as he's constantly working on his 'Mogojastro', make him the super sleuth we Bangalees worship and will do so for ages to come. *ovaries exploding*


3. Shankar Roy Chaudhary,Bibhutibhushan Bandopadhyay
It was Shankar Roy Chaudhary and his relentless yearning for adventure that instilled a gnawing wanderlust in us Bong kids, much before Christopher McCandless made it fashionable. In Chander Pahaar , Bibhutibhushan Bandopadhyay's vivid narration brought to life the travels of the valiant Shankar, his encounters with deadly creatures and challenging landscapes on his expedition across Africa, and how his journey culminates into an odyssey of self discovery. Reading it has been an unforgettable experience.


4. Byomkesh Bakshi, Sharadindu Bandyopadhyay
You're a disgrace of a Bangalee if you have not grown up binge reading Sharadindu Bandopadhyay's brilliantly intricate detective series. 'Satyanweshi' (the seeker of truth) Byomkesh and his partner Ajit became a cult in their own right as they set about solving crimes with oodles of style. Makorshar Rosh ,Adim Ripu , Shajarur Kanta are some all time favourites which will always stay with us.


5. Pagla Dashu, Sukumar Ray
The Ray family line is basically strewn with prodigies, and it is largely to their courtesy that Bengali literature is so wonderfully enriched. Penned by Sukumar Ray, Pagla Dashuis a vibrant collection of 25 Bangla short stories. It revolves around the antics of Dasharathi - a free spirit, who often gets away with pranks on uptight or boastful characters, with nothing more severe than a boxed ear. It gives us a glimpse into school life from a different era.



6. Bimala, Rabindranath Tagore
Rabindranath Tagore's Bimala spells power. She was perhaps one of the first female characters to have shifted from the 'pure' to the 'fallen'. Her gullibility was her hamartia. So, why do we think she was powerful, then? Because she made all her choices herself and for herself and not for the men in her life. She might have ended up making all the wrong choices, but they were her choices nevertheless.


7. Indir Thakrun, Bibhutibhushan Bandopadhyay
One of the most powerful characters, in one of the most poignant and iconic works in Bengali literature,Pather Panchali 's Indir Thakrun personifies the tragedy that this novel evokes. Her zest for life, her heart-warming relationship with Durga and her eventual demise brings out a certain sense of sadness and longing that will stay with you for a long time.


8. Srikanta, Sarat Chandra Chattopadhyay
“As I sit down to tell my story in this fading afternoon of my wandering life, I am flooded with memories.” Thus begins Sarat Chandra Chattopadhyay's lyrical novel. It is a narration of the protagonist Srikanta - an aimless drifter, a passive spectator, as he unabashedly reminisces on the years gone by. Srikanta is a simple man, an extraordinary character and bold in his self analysis. With Srikanta, Sarat Chandra Chattopadhyay set the precedent for socially conscious writing in modern Indian literature.


9. Ghana Da, Premendra Mitra
No. 72, Banamali Naskar Lane is synonymous with Ghana Da's jaunt, and his storytelling ventures. Ghana Da is author Premendra Mitra's creation, who narrates tales of histravels across the globe to tackle sinister bad-guys and international conspiracies. Premendra Mitra's brilliant narration in Ghana Da's voice is a fantastic trip, with unique stories that range from science-fiction to historical conspiracies, fuelled by tonnes of action and adventure.


10. Lalmohan Ganguly aka 'Jatayu', Satyajit Ray
The quintessential funny man in Bengali literature, Jatayu's antics are incredibly endearing. His vibrant, exuberant, witty character is perfectly brought to life by the legendary Santosh Dutta in the Feluda movies. The brilliance of the Feluda series would definitely have been slightly lacklustre without Lalmohan-babu's wide-eyed wonderment and the right amount of comic relief he brings.



11. Apu, Bibhutibhushan Bandopadhyay
Pather Panchali, the first of the Apu Trilogy, follows the childhood years of Apu, the central character around whom Bibhutibhushan weaved some of the most intricate coming-of-age tales. He is the epitome of innocence. Eyes brimming with wonder, Apu has a fantasized vision of the world, finding magic in the most mundane of things, despite of his circumstances. Apu-Durga's childlike innocence and the sequence where they run through the Kaash Bon to watch a train go by is by far one of the most heart warming and euphoria inducing moments in literature.


12. Nonte Phonte, Narayan Debnath
Bengal's comic connoisseur Narayan Debnath has been a household name for us Bong kids. Oh the joy his wonderfully funny comic strips would bring! We've all grown up lapping up the everyday adventures of this hilariously awkward pair of troublemakers. Originally serialized for the children's monthly magazineKishore Bharati, Nonte Phontefocuses on the amusing antics of the protagonists and their lives in a boarding school.


13. Professor Shonku, Satyajit Ray
Satyajit Ray's genius spans all possible genres of art and literature, andProfessor Shonku is proof of that. Undoubtedly the best series on science fiction in Indian literature, Professor Trilokeshwar Shonku is a genius scientist with some of the coolest inventions under his belt.  From Air-conditioning pills , that keep the body temperature normal in extremes of climate and Fishpill,which is space food for cats, he also has his very own Frankenstein Formula to bring back the dead. Not only does he speak 69 languages, he also has a 24-year-old cat named Newton! Yes, he is very very cool. Fangirl forever.


14. Kakababu, Sunil Gangopadhyay
First appearing in the Anandamela Pujo Barshiki in 1979, the adventures of Kakababu, Shontu and Jojo are reminiscent of the Feluda series. Solving crimes while walking on crutches, Raja Roychowdhury aka Kakababu is one badass detective. He travels across the country to track criminals down, with a bunch of eager, sharp witted youngsters in lurch.


15. Batul the Great, Narayan Debnath
The first in the colour series of Narayan Debnath's incredible comic strips, Batul the Great is a superhero of sorts, modelled after the famous Bengali body-builder Manohar Aich. With an aura of invincibility, Batul is able to take on tanks, airplanes, and missiles, and is Bengal's answer to Superman.



16. Maganlal Meghraj, Satyajit Ray
Having drawn the Sherlock-Feluda parallel, Feluda finds his Moriarty-like arch nemesis in the perfectly evil Maganlal Meghraj. Menacing and comical at the same time, Maganlal Meghraj's byzantine plans pose a challenge to Feluda's genius as well. Nobody could have portrayed the character with more accuracy and elan than the very brilliant Utpal Dutta of course.


17. Durga, Bibhutibhushan Bandopadhyay
While Pather Panchali is essentially the story of Apu's childhood, Durga is undoubtedly  the most important character in the novel. She is a free spirit. As she roams freely through the woods, groves, rice fields and in the rain, you realize her character is in tune with nature. She is intrigued by man-made objects like locomotives and telegraph poles. Her effervescent spirit leaves behind an indelible mark. Harihar's return to his dilapidated household only to learn about Durga's passing, and the devastating shock of the discovery is a tearjerker like no other.


18. Goopy Gyne & Bagha Byne, Upendrakishore Ray Chowdhury
Popularised by Satyajit Ray in his movie renditions of the heartwarming story of theadventures of this pair of goofy musicians, Goopy Gyne-Bagha Byne was originally the creation of Upendrakishore Ray Chowdhury, Satyajit Ray's grandfather. Goopy and Bagha first made their appearance in Sandesh magazine in 1915, complete with brilliant illustrations by Upendrakishore himself.


19. Sukhen, Samaresh Basu
Samaresh Basu's novel Prajapati was first published in 1967 amid a furore of controversy. A perfect commentary on contemporary society, Prajapati's plot unfolds with the motif of a butterfly used as a metaphor for the protagonist's life. Because of the fact that the novel dealt with the theme of sexuality openly, its literary merit was questioned and was hailed as being obscene and it was said that it could only have the effect of corrupting the morality of reader. The Author and his publishers were charged under Section 292 of the Indian Penal Code on grounds of obscenity. These charges were later cleared by a judgement passed by the Supreme Court in favour of the Author, almost 17 years from the date of its first publication.


20. Tarini Khuro, Satyajit Ray
A collection of 15 stories, Tarini Khuro is another one of Satyajit Ray's literary offsprings. With a tinge of a supernatural element, the narrative revolves around Tarini Ranjan Bandopadhyay, who tells tales of his adventures to an eager audience of five boys. His stories are a portrayal of his the quick wit in the face of imminent danger, and his escapades come to life with vivid imagery through the clever narration of events.


21. Handa Bhonda, Narayan Debnath
Originally serialized for the magazineShuktara (OMG childhood feels),Handa Bhonda was Narayan Debnath's first comic strip creation. Handa and Bhonda's encounters with Pishe Moshai, and their constant tryst with trouble were an absolute delight to devour. Oh them sweet, sweet summer vacations with Chhuti Chhutiplaying on DD7, and Handa-Bhonda comics strewn all over the bed. Damn.


22. Shidhu Jyatha, Satyajit Ray
The charm of the Feluda series would definitely have been diluted to some extent had it not been for Shidhu Jyatha's reassuring presence. He is the omniscient personality in the Feluda series, a man of copious newspaper cuttings, meticulously stuck in catalogued scrapbooks, and the only one to quiz Feluda. He is the Mycroft to Feluda's Sherlock.


23. Gopal Bhar
Reminiscent of Birbal's anecdotes, Gopal Bhar has been a household name for Bengali kids down the ages. Gopal Bhar was a jester in the court of Raja Krishnachandra of Nadia in the 18th century. Providing us our first lessons in funny, the stories of Gopal Bhar are precise and spot on with the humour, while also driving home a social message.


24. Tenida, Narayan Gangopadhyay
Another one of Narayan Gangopadhyay's popular creations,Bhojohori Mukherji aka Tenida is a resident of Potoldanga in Kolkata. With a famously large nose, he is well respected amongst his gang of boys, for his presence of mind, courage, and honesty as well as his vociferous appetite, despite sometimes also playing the role of the neighbourhood bully.


So go ahead, rummage through your bookshelves and bring out these classics to go on a nostalgia trip.

মহাজাগতিক ইতিহাসে আমাদের এপিটাফের গল্প

কোন সন্ধ্যে সন্ধ্যে রাতে রাস্তারা বুঝি অদ্ভুত প্রনয়ে খুন হয়! খুন হয় কতশত খেয়ালের অগোচরে আটকে পড়া দীর্ঘ নি:শ্বাসেরা! ইশ! আমাদের খেয়ালগুলো য...