একটা কথোপকথন থেকে দুলাইন ঢেউ


আমাদের সম্পর্কগুলোর গড় আয়ু শূণ্যে নেমে
এসেছে ! একটু ভেবে দেখা দরকার !
হাতেও আর সময় নাই...যেকোনো সময় চলে যেতে
হতে পারে...তার আগে কিছু কাজ তো করে যেতেই
হবে !

অবশ্য ছোটোবেলা থেকেই আমি তোমার
ভাবনায় পড়ে আছি, বলা হয়নি কখনো, প্রয়োজন মনে
করিনি....আর বন্ধুত্ব ?....বুঝতে পারছি-তাল কেটে
যাচ্ছে, সুর কেটে যাচ্ছে-ছিড়ে যাচ্ছে টান- অভিমান তবু
প্রেম হয়ে আসে আমাদের জগতে...আমরা বন্ধু-
শত্রুর উঠোনে আমরাইতো চাঁদ।

পাগলামি ছাড়া আর
ভালো লাগে যেটা- (বড়ই দু:খের বিষয়) তার নামও
পাগলামি ! আর ভাল লাগে জেগে থাকতে...জেগে
থেকে জীবনের শেষ দেখতে ভাল লাগে !
তোমাদের হাট'এর চানাচুর ভাল লাগে...... হাটাহাটি হয়ে
যেতে ভাল লাগে আর ভাললাগে তোমাকেও !

......অত কিছু আমার মনে থাকে না ! মনে পড়ে নদী
আর সাবলিল বালুচর, সন্ধার সেন্টিমেন্টাল ঢেউ আর
পালতোলা এরিস্টোক্রেট ডুঙ্গা !... ভাইটাল নদী নিজেই
বাশুরিয়া- নিজেই রাধা- নিজেই সা-রে-মা-পা . . .কাজল
চোখ..........নাহ..........ও অমনই কৃষ্ণচুড়া ! বলে পাড়ার
বয়সি বাতাস- বলে দক্ষিণ এসে উত্তরকে...উত্তর যায়
দুপুরের ক্লান্ত হাটফেরা রোদ্দুরের কাছে-কালো
চোখের কাহন নিয়ে যায় ! না বন্ধু মানে বিচ্ছেদি গান নয়-
শেষ অন্তরাও না ! বন্ধু মানে প্রাণপাখি উড়ে যেতে
যেতে . . .বাজায় বাশি বন্ধু শ্যাম ও রাই ! তো... ঠোটে
করে পাখি প্রজাপতি নিয়ে যায় কার বৃত্তি চরিতার্থে?

বন্ধুর
জন্যে, শত্রুর জন্যে ? মাথায় কাজ করে না ! আমি পা গ ল
হয়ে যাই....
কোথাও থাকতে ইচ্ছে করে না- না গল্পে, না ছন্দে, না
উৎকর্ষতায় ! যেন আমি পাপ, যেন আমি গহিন অরণ্য-যাদব,
অন্ধ তিরন্দাজ ! জলহীন অথৈ সাঁতার আমি । বন্ধু আমরা
পালিয়ে যাব একদিন ঠিকই সেই
হাওয়াতে....নিয়মমাফিক.....যাবে ? প্রচ্ছন্ন এক পাখি জীবন
একটু দূরেই পাবে !
হাজার বার নিতাই হব... কংশজলে সংসারটাকে ভাসিয়ে যাব-
আমরা দু'জন তীর্থ যাব....সাঁকোর উপর শিশ
দোয়েলের রোমান্স হব-কান্না হব ! শেষ বিকেলে
আমরা দু'ভাই ফড়িং হব...সূর্যটাকে সাক্ষি রেখে আকাশ সীমায়
ভাব জমাবো ! (পরে, হাটের চানাচুর- কটকটি পকেটে
নিয়ে ফেরা যাবে...কুটুস-কাটুস ভাব বিলাসে একদিন )

স্মৃতি


বুড়ো হয়ে যাচ্ছি দিনকে দিন।
একেকটা মুখ এসে স্মৃতির দরজায় টোকা মারে।
উপমা নামের মেয়েটা আমার সাথে পড়তো, সেই
ছোটবেলায়, ক্লাস ওয়ান-টু, নামটা মাথায়
ঢুকে পড়ে আছে। আমি ফার্স্ট হবো, না সে -
এরকম একটা প্রতিযোগিতা ছিলো বোধহয়।
কিংবা জিমি, যার সাথে একবার চিনিকলের গাড়ির
পেছনে ঝুলে পড়ে আখ চুরি করে খেয়েছিলাম।
হাফপ্যান্ট বয়েসের কথা, অজ-মফস্বল শহর পট
হয়ে আছে যে ছবিতে।

করতোয়া নদী চিরে গেছে যার বুক।

উপমার বাবার প্রশাসনে বদলির চাকুরি ছিলো,
তারপর উপমাকে খুঁজেছিলাম বড় হয়েও,
যদি কোথাও দেখা হয়ে যায়, আরে! তুই সেই
পিচ্চিটা নাহ? টাইপের আবিষ্কারের আশায়।
যেমনটা দেখা হয়ে গিয়েছিলো ফয়সলের সাথে,
ক্লাস থ্রিতে ছেড়ে আসা প্রাইমারী স্কুলের নীলু-
দেখা হলো কলেজের
সামনে হঠাৎ একদিন, যন্ত্রপাতির কলেজে
ভর্তি হতে এসে।
আরে, তুই তো সাইজে বাড়িসনি - চিৎকার্
করে ওঠা, নতুন ধরনের দেখা হয়ে যাওয়া।
কিংবা অনির্বাণ, সেই বিশালদেহী বন্ধুটা, যার
নিষিদ্ধ জ্ঞানভাণ্ডার ছিলো আমাদের কিশোর
বয়সের বিস্ময়, ক্লাস
সিক্সে চলে গেলো বাংলাদেশে - ইঁচড়েপাকা,
আমাদের সাথে পড়ার জন্যে একটু বেশি বয়েস
ছিলোই বোধহয়। বংকিম, অনির্বাণ, আবার
যদি দেখা হতো তোর সাথে রে!
অথবা ইমন, কতোদিন পরে তোকে খুঁজে পেলাম,
চলে গেছিস কোথায় যে! পৃথিবীর অন্ধকার
অংশে থাকিস - ২ ঘন্টা সূর্যের আলোর দিনও
পার করিস নাকি- একদিন বলেছিলি। গুগল
টকে তোকে দেখি মাঝেমধ্যে - নক করার সাহস
হয় না কেন যেনো!

স্বপনটার সাথে তো আর দেখাই হলো না। ওর
সাইকেলের ক্যারিয়ারটা বরাদ্দ ছিলো আমার
জন্যে। দূরত্ব বাড়ার শুরু কলেজ থেকেই - তারপর
ছিটকে পড়া।
সব মুখ একসাথে ঘুরপাক খায় এই জীবনটায়। সব প্রতারক
আর ভন্ড।

এই লগ্নে হারানো সূচি, যে ছেড়ে যায় এই
কাটখোট্টা জীবনের দুঃস্বপ্নদের
মাঝে আমাকে একা ফেলে রেখে, সবকিছু পায়ের
নিচে ফেলে। স্বার্থপর!
কেউ কথা দিয়ে কথা রাখেনা।
কেউ নাহ। আমার অভিমানের আকাশটা বড়
হতেই থাকে। আবার দেখা হবে - কথাটাও মিথ্যে।

দেখা হয় না কারো সাথে।

আমি অপার হয়ে বসে থাকি তোদের জন্যে।
ইচ্ছে হয়, চিৎকার করে বলি - তোরা কেউ
কথা রাখিস নি।

রিনরিন বেজে যায় কান্না আমার
ছিঁচকাঁদুনে হৃদয়ের কোণে।
"বন্ধুয়ারে, পরাণ যে কান্দে তোরো লাগিয়া!"
আবার যদি দেখা হতো তোদের সাথে রে।

কেউ একজন কখনোই বোঝেনি

কেউ একজন কখনোই বোঝেনি,
সন্ধ্যা ঘণালে আমি ভুলে যাই
পৃথিবীর উপকূলে জোনাকী জ্বলে,
যখনি মানুষেরা খুঁজে ফেরে
আদিম জনপদ।

কেউ একজন কখনোই জানেনি,
তেমনি কোন রাতে
একাকী জোছনা দেখবো বলে
আমি সাঁতরে যাই কর্ণিয়া ফেরত
লবণাক্ত নদীর গতি পথ। 

হারিয়ে গেল সেই ছেলেটি

গোলাপি রঙা গেঞ্জি আর
খয়েরী লুঙ্গি পরা ছেলেটারে আর
হাঁটতে দেখা যায় না শহরের
অলিগলিতে ।

নদীর ঘাটের শেষ
দিকটাতে যেখানে বাতাসে ভেজা বাঁশের
পঁচা গন্ধে মাথা ধরে যায়, সে দিকের
আড্ডাতে আর
বিড়ি হাতে চশমা ওয়ালা কাউরে খুঁজে পাওয়া যায়
না।

ঝুম বৃষ্টিতে এবারান্দায়-
সে বারান্দায়
ঝাপসা দৃষ্টি খুঁজে ফিরে না লম্বাটে এক
পরিচিত মুখ।

সন্ধ্যার পরে ফ্ল্যাটবাড়ির দরজার
সামনে জুতার উপর জুতা জমে না,বিরক্ত
হয় না আশেপাশের শান্তি প্রিয় মানুষ
গুলো। খুব ভোরে চা খাবে বলে কেউ
দারোয়ানের শেষ রাতের
তন্দ্রা ভাঙাতে যায় না খায়েশ করে।

সব তবুও আগেরই মতো চলছে মসৃণতার
আবরণ মেখে!

শুধু রিক্সার
হাতলে লেগে ছিঁড়ে যাওয়া খয়েরী লুঙির
মতোই নতুন লাগানো ল্যাম্পোস্টার
আলোতে দাঁড়িয়ে থাকা কারও
ভেতরটা ছিঁড়তে থাকে।

আলোতে,অন্ধকারে ছিঁড়ে যাওয়ার শব্দ
মিশে যায় নীরবে।
শত বছর
পেড়িয়ে যাওয়া বুড়ি অপেক্ষা করে না সাইকেলের
ঘন্টার,গাছের অপরিপক্ব
পেয়ারা তোলে রাখে না সিলভারের
পাতিলে।
ব্যাকপ্যাক থেকে বের
হবে না রহস্যময় কোন পুঁটলি, তবে ছাই
অপেক্ষা কিসের?

বিকেল গড়িয়ে যায়,ফুচকার টকে আজ আর
মাখামাখি হবে না আলুভর্তা,জেনে গেছে ছোট্ট
ছেলেটা!
ভ্যাবলা মেয়েটাও আগ্রহ
নিয়ে বসে থাকে না,শুনতে কারও চুল
টেনে দেওয়ার আবদার।
সব তবুও আগের মতোই
চলছে নিয়মমাফিক রুটিনে।

শুধু শত বছর পেড়িয়ে আসা বুড়ির চোখ
দুটোর মতোই জ্বলজ্বল
করতে থাকা কারও চোখে কিলবিল
করে নয়নতারার রূপ!

চোখের মুগ্ধতা ভেসে যায়
বাতাসে হাহাকারের আলোড়ন তোলে।

ভালোলাগায় ছুঁয়ে দেখা হয় না... !

অদৃশ্য টানটা আজো অদ্ভুদ এক ভাললাগায়
ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়...
যার পরশ লেগে থাকে ঝুল বারান্দায়
ঝুলে থাকা সাদা পাঞ্জাবিটা থেকে
খুলে যাওয়া বোতামটির বোতামঘরে ...
বিছানার এক প্রান্তে কুঁচকে পড়ে থাকা লাল
ওড়নাটাতে ...!
পিটপিটে আলোতে দুচোখে ডুব দেয়া...
স্নান ঘরের ঝর্নায় চুপচাপ
একে অপরকে আঁকরে ধরে ভিজে চলা...
এক কাপ চায়ে দুপাশ থেকে পাইপ
দিয়ে টানতে গিয়ে কাপ থেকে চা উছলে পড়া...
হাতে থাকা চুড়ির টুংটাং শব্দ...আহ্!
উফ্! তবু কেন
যে বাস্তবতাঘোরে কারো খামখেয়ালীপনায়
বেড়ে চলেছে ব্যবধান...
স্তূপাকারে জমতে থাকে অভিমান... কোন
কাজে বসে না মন...
এপাশ- ওপাশ জুড়ে চলে শুধু হাহাকার...!
গোপনে গোপনে চলে বুকফাটা আর্তনাদ ... !
আহারে কি অদ্ভুদ ভাবে পিচ্চিদের মত
গুটিসুটি করে শুয়ে আছে মানুষটা ...
কেমন যেন মায়াবী মায়াবী লাগছে ঘুমন্ত
মুখখানা... !
মাঝে মাঝে কি একলা হেসে উঠছে ঘুমের ঘোরে...
ওকি ঘামছে কেন ও?
ছটফট করছে? দুঃস্বপ্ন দেখেছে বুঝি...!
...ইচ্ছে হয় আলতো করে ছুঁয়ে দেই কপালটা ...
সরে আসি!
সে দেখেনা তাই তাকে আর ভালোলাগায়
ছুঁয়ে দেখা হয় না... !

একলা হাওয়া নির্বাসন যাও

জানালা দিয়ে যতটুকু আকাশ
মেঘগুলো বিষণ্নতায়
উড়ছিলো শুধু।
গাছগুলো বৃষ্টিতে ভিজে
নতুন।
আসন্ন পালতাদের
সম্ভাবনায়
কিছুটা আহ্লাদী।

পাখিগুলো রাস্তায়
জমে থাকে জলে
সারছিলো সমবেত স্নান।

রাস্তায়
চলতে থাকা গাড়িগুলো
বারবার চৌরাস্তার লাল এ
থামছিলো।

আমার জ্বরাক্রান্ত চোখ
কেবলি
ছুটে বেড়াচ্ছিল
পাখী থেকে চৌরাস্তায়
আকাশ থেকে গাছে।

ঝুলানো পর্দার
দিকে তাকিয়ে
এলোমেলো ভাবনায়
মনে পড়ে কতকিছু।

জ্বর এলেই এমন
বেহিসাবী নিমপাতা দিন।

কে জানে পৃথিবীর
অন্যখানে
বুক ভরা বেদনা নিয়ে
নির্ঘুম রাত
কাটে কারো কি?

সেই
বেদনাকে ছুঁতে পারে কে?

শুধু
জানালা দিয়ে তাকালেই
দেখা যায়
একটা ছোট্ট মেঘের পথ
বহুদুর বেয়ে গেছে।

মনটাকে বিমর্ষ করে দিয়ে
সেই পথ ঘুরে আসি।

প্রার্থণার উচ্চারিত হয়
"সুস্হতা চাই।
জ্বরজারি
একলা হওয়া
নির্বাসন যাও।"

আমার জ্বরজারি
অনেকদুরের তাকে ধাবিত
করে
এবং তার হৃদয়ের তাবৎ
কাঁপন
আমার দিকে।
এভাবে পৃথিবীর অনেক
নরনারী
আবালবৃদ্ধবিণিতা সকলে
অজানা ভাইরাস এ আক্রান্ত
হতে থাকি।
প্রতিদিন।

তোর অজস্র বসন্ত বিকেল থেকে, শুধু একটা বিকেলে আমাকে ধার দিস


" তোর অজস্র বসন্ত বিকেল থেকে, শুধু একটা
বিকেলে আমাকে ধার দিস।"

ডানা ভাঙ্গা পাখির দল তোমার
আর আমার হারিয়ে যাবার
সাক্ষী !

আমি তো হারিয়ে যাবো ঠিক ই, অজানা অহংকারে ,
মিছে দাম্ভিকতায় আর
অর্থহীন জেদে !
ডানাভাঙ্গা পাখিরা ঠিক ই
মনে রাখবে !

আমি একটা বিষন্ন রাতের
গল্প , যার
তারাগুলো বিষাদের
সুরে কাতর ! বাতাসে গভীর
শুন্যতার ছায়া !
আমি লিখতে বসেছি অতৃপ্ত আত্মার গল্প সঙ্গী আঁধার আর
মন খারাপ করা রাত !!

বসন্তের স্নিগ্ধ বিকেলের
হাওয়ায় সবুজের আলোড়ন ,
যান্ত্রিক অবয়বে তোর
আগমনে প্রকৃতিতে উচ্ছ্বাস
ছিলনা ! আমার নিস্তব্দ
সাঝবেলায় তখনো হাওয়ার
ছাট লাগেনি !
ধীরে ধীরে মনোজগতে তোর
অদৃশ্য দখলদারি ! আমার
পাখিদের সুর তুই বুঝিস , আমার
বিকেলের রোদ তোর হয়ে যায় ,
আমার নদীর বাকে তোর ছোট্ট
কুটিরে জোছনা বিলাসের
সমস্ত অধিকার তোর ই কেবল !

তারপর একদিন তোর
চোখে আমি অপ্সরী ছায়া দেখতে পাই !
"And There will be
companions with beautiful ,
big , And Lustrous eyes " !
আমার নদীর জল , আমার
বিকেলের হাওয়া , আমার
পাখিদের গান তোকে উপহার
দেই রোজ ! বিনিময়ে পাই তোর
আকাশের মেঘের ছায়া , তোর
স্নিগ্ধ সকাল !

একদিন ঝুম
বৃষ্টি নামলো আমার জানালার
টুকরো আকাশ থেকে ! দু
ফোটা বৃষ্টি জল আমায়
ছুঁয়ে গেল ! তোর
আকাশে তখনো কালো মেঘ !
বিষন্ন আকাশের হুংকার !
পাখিদের ওড়াওড়ি নেই ,
আমি জানিনা তোর আকাশ
কি এখনো থমকে আছে বিষন্নতায় ??
আমার জানালার কান্না বন্ধ
হলে আমি তাকাই তোর আকাশে !
কিন্তু হায়!
আমি দেখতে পাইনা তোর
আকাশ , তোর স্নিগ্ধ সকালের
মায়াবী রোদ !

আমার নদীর
বাকে কুড়েঘরে জমে থাকা অভিমান !
নদীতীরে বসা একটা নিঃসঙ্গ
চিলকে পাঠাই তোর খবর
আনতে , সে চিল আর
ফিরে আসেনা !

আরো চাপা অভিমান
বুকে বাসা বাধে ! তারপর এক
সাঝ বেলায় মৃত্যু এসে ভর
করে আমার ঘুমে ! নিরস
দেহটা পড়ে থাকে , মৃত্যূ হয়
অভিমানী আত্বার।

আমি দেখতে পাই আমার
মুঠোফোনে তোর অজস্র ডাক ,
দেখতে পাই মুঠোফোনে তোর
পাঠানো কথা মালার আগমন !
আমি যে স্পর্শ করার
ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি ,
আমি সে কথামালা জানতে পারিনা ,
পারিনা জানিয়ে দিতে আমার
অভিমানী আবেগ !

খুব
জানতে ইচ্ছে করে কি হয়েছিল
তোর , খুব
জানিয়ে দিতে ইচ্ছে করে অভিমানী মেঘের
যে মরণ হয়েছে!

একটা চিল
উড়ে যায় তোর বাড়ির দিকে ,
আমি তাকে বলে দেই আমার
হাওয়া হয়ে যাবার খবর !

মহাজাগতিক ইতিহাসে আমাদের এপিটাফের গল্প

কোন সন্ধ্যে সন্ধ্যে রাতে রাস্তারা বুঝি অদ্ভুত প্রনয়ে খুন হয়! খুন হয় কতশত খেয়ালের অগোচরে আটকে পড়া দীর্ঘ নি:শ্বাসেরা! ইশ! আমাদের খেয়ালগুলো য...