অসমাপ্ত বালিয়াড়ি ও ছেঁড়া কবিতারা

 http://shobujbanglablog.net/wp-content/uploads/2014/05/Inner_5_246098553.jpg
১.
মিছে নাটকীয়তায় ঢাকা পড়ে আছে বোধ,
কেন তোমাকেই চেয়েছি শুধু
শরীরে-অশরীরে, অবিশ্বাসের স্রোতধারায়
অনেক লজ্জা, ঈর্ষা, ক্ষোভ বিসর্জন দিয়ে
অনেক প্রেম, পাপ, লোভ জলাঞ্জলি দিয়ে
টেনে টেনে ছিঁড়েছি কবিতার পাতা, সময়,
মুখের খোলস, তবুও
অন্ধকার ছিঁড়তে পারিনি।

২.
ফিরে যাবার শেষ ছত্রে লেখাছিল
চৈত্র দিনের খরা, ধুলি ধুসর ছায়াপথ,
ছিল অনুর্বর, ক্ষয়ে যাওয়া মাটির প্রেমহীন প্রলেপ।
অনেক বেদনাঘন বিষাদের স্মৃতিরেখা ধরে
অনেক মোহগ্রস্থ নির্মাণের প্রসবযন্ত্রনা ভুলে
আড়ালেই থেকে গেলে প্রদীপমুখী,
খামে ভরে নীলিমা পাঠিয়েছিলে বলে
ভ্রুকুটি করেছিলাম।

৩.
বিন্দু বিন্দু সঞ্চয়ের অবিরাম খেলায় ক্লান্ত
দিনের আয়ুষ্কাল, সুরভিত অতীত,
ছিল অচেনা আকাশ, নিস্তেজ দুপুর, হিমশীতল বৃষ্টি
অনেক নিঃশব্দ রাতের খোলা আঁচল বেয়ে
অনেক সৃষ্টিহীন যৌবনের আলপথ ভেঙে
দেখি, মেঘে ঢাকা বিকেল, তাই
গোপনে জ্বেলেছি রঙমশাল,
এক নতুন জীবনের অফুরন্ত হাহাকার।

৪.
তারপর আরো, কত চন্দ্রাহত রাত ফিরে গেছে,
দিকশূন্য নাবিকের মত
ভেসে গেছি তরঙ্গাভিযানে, অবিন্যাস্ত জলধারায়
অনেক অক্ষমতার ভারী বোঝা কাঁধে বয়ে,
অনেক অসমাপ্ত বালিয়ারি পায়ে দলে
এসে দাঁড়িয়েছি,
তোমারই এঁকে দেয়া সীমান্ত রেখায়
অনাবৃত বসন্তের প্রান্তে।
Post a Comment

মহাজাগতিক ইতিহাসে আমাদের এপিটাফের গল্প

কোন সন্ধ্যে সন্ধ্যে রাতে রাস্তারা বুঝি অদ্ভুত প্রনয়ে খুন হয়! খুন হয় কতশত খেয়ালের অগোচরে আটকে পড়া দীর্ঘ নি:শ্বাসেরা! ইশ! আমাদের খেয়ালগুলো য...