একটা কথা ছিল লেখার

July 22, 2015

শব্দখরার মাঝে এক ফোঁটা জল বড্ড আকাংখিত।
কীবোর্ড থেমে রয়, অথচ স্ক্রীনজুড়ে ফাঁকা
জায়গা। হৃদয়েও হয়ত। হৃদয় সবচেয়ে অসহায় হয়
কখন? সম্ভবত যখন হৃদয় ভয়ে ভীত থাকে। ভয় খুব
শক্তিশালী অনুভূতি। শরীরে কাঁপন ধরে, শীতল
স্রোত বয়ে যায়, দমবন্ধ অনুভূতি হয়। তবু জীবন
চলে যায়, বয়ে যায়, যেতেই হবে। ভয়ের মতই
আরেকটা শক্তিশালী অনুভূতি ভালোবাসা। যদিও
এ দুয়ের তুলনা হয় না। দুয়ের উপস্থিতি একসাথে
হতেও পারে, আবার নাও পারে। জানিনা আমি।
যা মন চায় লিখছি। না লিখলেও কিছু আসে যায়
না, লিখলেও না। আমার লেখা কেউ মন দিয়ে
পড়েনা, আমিও আর কাউকে পড়াই না।
রবিঠাকুরের কবিতার লাইনের অংশবিশেষ মনে
পড়ছে, “প্রতি নিমেষের কাহিনী/বাঁধিস নে
স্মৃতিবাহিনী…” মজার অন্ত্যমিল তো! এজন্যই
মনে আছে।
জীবন বড্ড ছোট, এসে থেকে চলে যাওয়া।
বিদায় জানিয়ে মাটির নিচে স্থান নেয়া। সবাই
কেন চলে যায়, কী করে গিয়ে? মাটির নিচে
কেমন লাগে? আমার অন্ধকারকে বড্ড ভয় হয়।
 মাঝে মাঝে
আমি চোখেও আঁধার দেখি। তখনো আমার ভয় হয়।
ভয়ে মাখামাখি জীবন। তীব্র ভয় নিয়ে বাস করা
অবশ্য কমবেশি নিশ্চিত প্রতি জীবনেই।
ধৈর্যধারণে সুসংবাদ আছে বটে।
একটা কথা ছিলো বোধহয় লেখার। ভুলে গেছি।
না লিখলাম নাহয়। লিখে কী হবে? সবই সময়ের
সাথে সাথে পুরোনো হয়ে যায়, ম্লান হয়ে যায়।
সব অনুভূতিরাই এক সময় বিরক্তিকর হয়। আমার
এটাও হবে। সময়, শুধু পেরিয়ে যেতে দেয়ার। যাও
পেরিয়ে যাও। বিদায়।

You Might Also Like

0 comments

Popular Posts