কি নাম যে দি তোকে?

আজ এক নিপাট ভোর এসে ঘুম থেকে আলতো আদরে জাগিয়েছে আমায়। ঘুম ঘুম আধা আধি চোখে তাকিয়েছি জানলার ওপারে। হিম মাখামাখি নরম গালিচার মতন সকাল, হাতে তাই মাথা রেখে চোখ চেয়ে তোকে দেখি এক মনে, মনে মনে। আজকে আবার, আরো এক বার তুই চলে এলি বেড়া ডিঙিয়ে, মনের এই এইপারে। তাকিয়েই আছি, প্রিয়তমা বান্ধবী খুনসুটি তুড়ি মেরে গাল টেনে আবদারে আন্দাজে দেখে নেয় আমাকে। চেনা চোখে অচেনা ছায়া দেখে অবাক হয়ে অভিমান করে সে দীঘি চোখের মেয়ে। পাগলাটে এ মেয়েটা আমাকে ফিরিয়ে নেয় তোর থেকে, হাত ধরে পাশটাতে বসে পড়ে বলে, “আজ তোকে বলতেই হবে, কেন তুই মাঝে মাঝে এইরম আনমনা হোস, সব ভুলে একমনে কি খুঁজে হয়রানি তোর, ভিড় ঠেলে বার বার তোর চোখ কাকে দেখে নিতে চায়, বল তুই”। কি যে বলি? ঠিক কি বলি? তোর কাছেই জানতে চেয়েছি আজকেও। সে মেয়েকে অনেকক্ষন পরে বলেছি, “কি হবে জেনে? সব জানা শেষ পর্জন্ত্য মিশে যায় অজানায়, জানিস কি তুই পাগলি? দেখ দেখি তোর প্রিয় লেবু রঙা ওড়নার মতন রোদ উড়ছে আমাদের ঘরে, আয় বরং খানিক রোদ দেখি।” রেগে মেগে সে মেয়ে, “ভাল্লাগে না, আমায় তুই এক্কেবারেই বন্ধু ভাবিসনা” বলে উঠে চলে গেছে খানিক পরে। এ যে কি হয় মাঝে মাঝে? আমি নিজেই যে বুঝি না, তোকে বোঝাই কি করে পাগলি? তারপর কোথা দিয়ে সময় পেরিয়ে চলে। ফেলে আসা দিনের কিছু বন্ধুর আমন্ত্রণ রাখতে যেতে হয়, অনেক অনেক আড্ডায় তোকে ভুলে যাই (সত্যি যাই কি আসলে?)। রাত জেগে পাশাপাশি ফিসফিসে কথা হয় দুই বন্ধুতে। চাঁদ ঢোকে ঝোড়ো হাওয়া সাথে নিয়ে আমাদের বিছানায়। চারপাশে আস্তে আস্তে নিস্তব্ধতা মেখে নিলে, মন তার দরজা খোলে অতি ধিরে। অচেনা, বহুদূরে ভেসে যাওয়া সুর টেনে, একে একে কি যে সব বলে চলে। বান্ধবী কান পাতে, মন পাতে, নিঃশ্বাস থেমে থেমে শোনে যেন রূপকথা। সেই সব কথা, যা নাকি আগে কেউ শোনে নি, একদম আনকোরা, তুলে রাখা সিন্দুকে, ভুলে থাকা জেনে বুঝে। সেই খ্যাপা মেয়ে শোনে তোর কথা, যা যা বলেছিস তুই, তোর ভালোলাগা- মন্দবাসা, তোর চোখ চিনে নেয় আধো অন্ধকারে, তোকে ভাবা কবিতার রেশটুকু শুনে ফেলে, তোর সেই হালকা ঠোঁট ঘেঁষা হাসিটাও চেয়ে দেখে, তোকে লেখা চিঠিটাও পড়ে নেয় অনায়াসে, গুনগুন করে শেষে তোর সেই গান খানি গেয়ে দিয়ে ঘুম ডেকে দিতে চায় আমার এ দুচোখে। ঘুম এসে ওমমাখা চাদরে ঢেকে নেয় খেপীটাকে। এই বার পুরোপুরি শব্দহীন হয় রাত। রোমন্থনে রোমন্থনে সমুদ্র মন্থন চলে। যতবার তোকে বলি আজ থাক সেসমস্ত আগাম দিন, তবু তুই বার বার মেলে ধরে আমাকে বসিয়ে রাখিস এক আকাশ তারাদের কোলে দিয়ে। প্রিয়তমা বান্ধবী স্বপ্ন ঘোরে আধো স্বরে অস্ফুটে বলে ওঠে, “নাম কি তোর?” অনন্ত অপেক্ষার পশরা সাজিয়ে আমি ভাবি, “আজকে কি নাম যে দি তোকে?” ল আজ এক নিপাট ভোর এসে ঘুম থেকে আলতো আদরে জাগিয়েছে আমায়। ঘুম ঘুম আধা আধি চোখে তাকিয়েছি জানলার ওপারে। হিম মাখামাখি নরম গালিচার মতন সকাল, হাতে তাই মাথা রেখে চোখ চেয়ে তোকে দেখি এক মনে, মনে মনে। আজকে আবার, আরো এক বার তুই চলে এলি বেড়া ডিঙিয়ে, মনের এই এইপারে। তাকিয়েই আছি, প্রিয়তমা বান্ধবী খুনসুটি তুড়ি মেরে গাল টেনে আবদারে আন্দাজে দেখে নেয় আমাকে। চেনা চোখে অচেনা ছায়া দেখে অবাক হয়ে অভিমান করে সে দীঘি চোখের মেয়ে। পাগলাটে এ মেয়েটা আমাকে ফিরিয়ে নেয় তোর থেকে, হাত ধরে পাশটাতে বসে পড়ে বলে, “আজ তোকে বলতেই হবে, কেন তুই মাঝে মাঝে এইরম আনমনা হোস, সব ভুলে একমনে কি খুঁজে হয়রানি তোর, ভিড় ঠেলে বার বার তোর চোখ কাকে দেখে নিতে চায়, বল তুই”। কি যে বলি? ঠিক কি বলি? তোর কাছেই জানতে চেয়েছি আজকেও। সে মেয়েকে অনেকক্ষন পরে বলেছি, “কি হবে জেনে? সব জানা শেষ পর্জন্ত্য মিশে যায় অজানায়, জানিস কি তুই পাগলি? দেখ দেখি তোর প্রিয় লেবু রঙা ওড়নার মতন রোদ উড়ছে আমাদের ঘরে, আয় বরং খানিক রোদ দেখি।” রেগে মেগে সে মেয়ে, “ভাল্লাগে না, আমায় তুই এক্কেবারেই বন্ধু ভাবিসনা” বলে উঠে চলে গেছে খানিক পরে। এ যে কি হয় মাঝে মাঝে? আমি নিজেই যে বুঝি না, তোকে বোঝাই কি করে পাগলি? তারপর কোথা দিয়ে সময় পেরিয়ে চলে। ফেলে আসা দিনের কিছু বন্ধুর আমন্ত্রণ রাখতে যেতে হয়, অনেক অনেক আড্ডায় তোকে ভুলে যাই (সত্যি যাই কি আসলে?)। রাত জেগে পাশাপাশি ফিসফিসে কথা হয় দুই বন্ধুতে। চাঁদ ঢোকে ঝোড়ো হাওয়া সাথে নিয়ে আমাদের বিছানায়। চারপাশে আস্তে আস্তে নিস্তব্ধতা মেখে নিলে, মন তার দরজা খোলে অতি ধিরে। অচেনা, বহুদূরে ভেসে যাওয়া সুর টেনে, একে একে কি যে সব বলে চলে। বান্ধবী কান পাতে, মন পাতে, নিঃশ্বাস থেমে থেমে শোনে যেন রূপকথা। সেই সব কথা, যা নাকি আগে কেউ শোনে নি, একদম আনকোরা, তুলে রাখা সিন্দুকে, ভুলে থাকা জেনে বুঝে। সেই খ্যাপা মেয়ে শোনে তোর কথা, যা যা বলেছিস তুই, তোর ভালোলাগা- মন্দবাসা, তোর চোখ চিনে নেয় আধো অন্ধকারে, তোকে ভাবা কবিতার রেশটুকু শুনে ফেলে, তোর সেই হালকা ঠোঁট ঘেঁষা হাসিটাও চেয়ে দেখে, তোকে লেখা চিঠিটাও পড়ে নেয় অনায়াসে, গুনগুন করে শেষে তোর সেই গান খানি গেয়ে দিয়ে ঘুম ডেকে দিতে চায় আমার এ দুচোখে। ঘুম এসে ওমমাখা চাদরে ঢেকে নেয় খেপীটাকে। এই বার পুরোপুরি শব্দহীন হয় রাত। রোমন্থনে রোমন্থনে সমুদ্র মন্থন চলে। যতবার তোকে বলি আজ থাক সেসমস্ত আগাম দিন, তবু তুই বার বার মেলে ধরে আমাকে বসিয়ে রাখিস এক আকাশ তারাদের কোলে দিয়ে। প্রিয়তমা বান্ধবী স্বপ্ন ঘোরে আধো স্বরে অস্ফুটে বলে ওঠে, “নাম কি তোর?” অনন্ত অপেক্ষার পশরা সাজিয়ে আমি ভাবি, “আজকে কি নাম যে দি তোকে?” 

বৃষ্টির কাছে খোলা চিঠি

আজ প্রবাসের বিজন বেলায় মেঘের আনাগুনা দেখে হঠাৎ তোমার কথা মনে পড়ল। মনে পড়ল সেই গ্রামের মেঠো পথ দিয়ে যখন স্কুল থেকে ফিরতাম, তুমি প্রায় আমার বই খাতা ভিজিয়ে দিতে। সেই খাতা উনুনের কাছে দিয়ে কত শুকিয়েছি। বৃষ্টি সে সব স্মৃতি এখন থাক। ইঠ পাথরের পরবাসে তোমার নরম স্পর্শ কমই পাই বলতে গেলে। কেমন আছো বৃস্টি? নিশ্চয় তুমি তেমন ভাল নেই।, জলবায়ু পরিবর্তনের হাওয়ায় তুমি ও এখন মত পালটিয়েছ। আষাঢের দিন তারিখ মেপে নাকি তুমি আর আসনা আমার সুজলা বদ্বীপে? যখন তখন নাকি তুমি আর হেসে লুটোপুটি খাওনা? শ্রাবনের ভর যৌবনেও তুমি নাকি মাঝে মাঝে নিরুদ্দেশ? হ্যাঁ বৃষ্টি তোমাকে মিস করছি খুব। এখানে তোমার সেই জংলী ভালবাসার রূপ খুব কম। একটু একটু তুষার পাতের ন্যায়, যা মনে হয় অভিমানের কান্না তোমার । এই যা কয়েক ফোটা!!মুষলধারে যে তোমাকে আজ দেখছি না অনেক বছর। বৃষ্টি তোমার সাথে আমার যেখানে প্রথম পরিচয় সেই শ্যামলিমায় যাই এখন আবারো। জান বৃষ্টি, তুমি আসলেই আমার কদম ফুল গাছটা কেবল হাসে। তোমাকে সে এত পছন্দ করে কেন বুঝতাম না। মাঝে মাঝে আমি পাগলামি করে তপ্ত রোদে যখন ঘেমে যেতাম তখন তোমাকে ডাকতাম । এমনকি বৈশাখে ও। মাঝে মাঝে দেখতাম তুমি অসময়ে ও চলে আসতে। তুমি যখনই আস তোমাকে স্বাগতম জানাতে তখন আমার বাবুনিরা, তুলতুল>রা বারান্দায় বসে বসে ছড়া কাটত-- আয় বৃষ্টি ঝেপে,ধান দেব মেপে, বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান" আর দাদা বাবু চলে যেত "আমার সারাটা দিন, মেঘলা আকাশ, বৃষ্টি তোমাকে দিলাম........ শুধু শ্রাবণ সন্ধ্যাটুকু তোমার কাছে চেয়ে নিলাম"শ্রীকান্তের গানের সুরে।খালা মনিরা খই মুড়ি মুটকি ভাজতে তখন যেত উনুনের কাছে। তোমার আগমনে মাছেরা ও কি খুব খুশি হয়? খায় ডিগভাজি? আচ্চা রিমঝিম, তোমাকে আমার খুব গায়ে মাখতে ইচ্ছে করে কেন খুব?শহরে যখন তুমি আসতে আমি তখন চুপি চুপি বাসার চাদে চলে যেতাম মনের সুখে ভিজব বলে। ডাঃ বাবু, মা সবার কথা তখন মনে থাকত না। কেবল তোমার সাথে ছিল মাখামাখি। আহা কি আনন্দ!!! আমার বুক যখন ফেটে চৌচির হয়,বোশেখ যখন আমাকে পাগল করে তোলে, আমার সবুজ যখন কেঁদে কেটে নুয়ে পড়ে, ধুসর হয়ে যেতে চায়,তুমি কেমনে যেন গোপনে জেনে যাও সবুজের কথা, ছাতক পাখির কথা। তুমি এসে দাও তাদের মনে দোলা, প্রানে প্রানে আবার তোল জীবনের সুর। আচ্চা বৃষ্টি, আকাশ তোমাকে খুব কষ্ট দেয় তাই না? তুমি একটু চন্চল হলেই তোমাকে পাঠিয়ে দেয় আবারো আমার কাছে। কিন্তু আমি যখন দেখি তুমি আকাশকেই ভালবাস, আকাশের বুকেই তুমি শুভ্র মেঘ হয়ে ভেসে থাকতে চাও, তখন আমি কেবল অভিমান করতে পারি।আমার অভিমান গুলো ও ভাসিয়ে দিই পরিযায়ী পাখির মত তোমার ভেসে বেড়ানোর সুখে। তুমি যখন পরিশুদ্ধ হয়ে ফিরে আস আবারো আমি ও ভুলে যাই তাবৎ অভিমান। যদিও তুমি আকাশের সাথে মাঝে মাঝে খুব রাগারাগি করে অনেক দিন থেকে যাও, ভাসিয়ে নিয়ে যাও আমার কিছু সম্বল তবু ও আমি প্রতীক্ষায় থাকি তোমার আগমনী পথে,আমার প্রতিটা সবুজ, দোয়েল, কোয়েল কষ্ট জেনে ও তোমাকে আহবান জানায় ডানা ঝাপটিয়ে, প্রতীক্ষার প্রহর গুনে গুনে। বৃষ্টি ভাল থেকো তুমি, তোমার যখন ইচ্ছে এসে পড় এই মন ভুমে, নিঃস্ব কর আপত্তি নেই, তবু ও মাঝ রাতে, খাঁ খাঁ ঘুঘু ডাকা নির্জন দুপুরে, শ্রাবন সন্ধায় আমি তোমার অপেক্ষায় থাকব কয়েক গোছা কদম হাতে। ইতি তোমার কান্না টুকু যেখানে রাখ প্রতি নিয়ত যেখান থেকে তুমি সেজে গুজে চলে যাও আকাশের বাড়ী সেই আমি সর্বংসহা ধরনী

তুমি কি আমার আকাশ টা নেবে...



যখন তোমার পাশে কেউ থকবে না ,
যখন খুব একা একা লাগবে
তখন ভেবে নিও আকাশের তারারা আছে
যারা তোমাকে সারা রাত মোমবাতি হাতে পাহারা দিবে ।

যখন তুমি আমার মত বিষন্নতায় ভুগবে
যখন জীবনের অর্থ হারিয়ে ফেলবে ,
তখন চাঁদ সূর্যের আলোয় নিজেকে পুড়িয়ে
তোমাকে জোছনা দিয়ে আগলে রাখবে ।

যখন সমস্ত দুঃখ কষ্ট তোমায় গ্রাস করবে
যখন প্রচন্ড অভিমান হবে ,
তখন আকাশের সাদা মেঘ ভেলা হয়ে
সেগুলি ভাসিয়ে নিয়ে যাবে অনেক দূর।

যখন তোমার চারদিক বিবর্ণ হয়ে পড়বে
জ়ীবনের রঙ হারিয়ে যাবে ,
তখন আকাশ তার গায়ে রঙ ঢেলে
রংধনু দিয়ে তোমার সব রাঙ্গিয়ে দিবে।

যখন তোমার প্রচন্ড কান্না আসবে
যখন চোখের পানি মুছিয়ে দেয়ার থাকবে না
তখন আকাশ নিজেকে বিসর্জন দিয়ে বৃষ্টি ঝরাবে
মুছে দিবে তোমার সমস্ত অশ্রু ।

তুমি কি আমার আকাশ টা নেবে..................??

মহাজাগতিক ইতিহাসে আমাদের এপিটাফের গল্প

কোন সন্ধ্যে সন্ধ্যে রাতে রাস্তারা বুঝি অদ্ভুত প্রনয়ে খুন হয়! খুন হয় কতশত খেয়ালের অগোচরে আটকে পড়া দীর্ঘ নি:শ্বাসেরা! ইশ! আমাদের খেয়ালগুলো য...